যবিপ্রবির অ্যান্টি ড্রাগ সোসাইটির নেতৃত্বে আলামিন ও সিয়াম
যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সামাজিক সংগঠন ‘অ্যান্টি ড্রাগ সোসাইটি অব জাস্ট’-এর নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোঃ আলামিন এবং সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স (এফএমবি) বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের মোঃ সিয়াম হোসেন।
শনিবার (২২ আগস্ট) ক্লাবের সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। নতুন কমিটির বাকি সদস্যদের নামসহ পূর্ণাঙ্গ কমিটি চলতি মাসের মধ্যেই প্রকাশ করা হবে।
"অ্যান্টি ড্রাগ সোসাইটি অব জাস্ট" বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকবিরোধী সচেতনতা তৈরি এবং মাদক থেকে দূরে থাকার বিষয়ে উৎসাহিত করার পাশাপাশি বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সহায়তায় হেল্পডেস্ক পরিচালনাসহ বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডে সংগঠনটির সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন।
নবনির্বাচিত সভাপতি মোঃ আলামিন বলেন, দায়িত্ব আমার জন্য শুধু একটি সাংগঠনিক পদ নয়, বরং ক্যাম্পাসের শিক্ষার্থীদের সুস্থ, নিরাপদ ও সুন্দর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার একটি সুযোগ। মাদকের বিরুদ্ধে কার্যক্রমকে শুধু স্লোগান বা সচেতনতামূলক কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে সচেতনতা, প্রতিরোধ, ইতিবাচক কর্মকাণ্ড ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে একটি শক্তিশালী মাদকবিরোধী সংস্কৃতি গড়ে তুলবো। একজন শিক্ষার্থীকে মাদক থেকে দূরে রাখার কার্যকর উপায় শুধু নিষেধ করা নয়, বরং তাকে নিজেকে বিকশিত করার এবং ইতিবাচক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার সুযোগ তৈরি করে দেওয়া। এ লক্ষ্যে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, স্বেচ্ছাসেবা, সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণমূলক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কাজ করতে চাই। তিনি আরও বলেন, কেউ মাদকের ঝুঁকিতে পড়লে তাকে দোষারোপ বা ঘৃণা না করে সঠিক পথে ফিরে আসতে সহযোগিতা করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদক সরবরাহ, প্রচার ও ব্যবহারের বিরুদ্ধে সংগঠনের সচেতন ও দায়িত্বশীল অবস্থানে থাকবে। মাদকমুক্ত যবিপ্রবি গড়ে তোলার দায়িত্ব শুধু অ্যান্টি ড্রাগ সোসাইটির নয়, বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক শিক্ষার্থীর সম্মিলিত দায়িত্ব।
নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক মোঃ সিয়াম হোসেন বলেন, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বটি তার কাছে শুধু একটি পদ নয়, বরং একটি বড় দায়িত্ব। সংগঠনের কার্যক্রমকে আরও সুন্দর, সক্রিয় ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করার চেষ্টা করব। মাদকবিরোধী সচেতনতা শুধু পোস্টার, সেমিনার বা নির্দিষ্ট কোনো দিনের কর্মসূচিতে সীমাবদ্ধ না রেখে শিক্ষার্থীদের মধ্যে একটি ইতিবাচক ও সচেতন পরিবেশ তৈরি করাই তাদের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে নতুন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আরও বেশি কাজ করার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি, যাতে তারা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই সুন্দর ও ইতিবাচক পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত হতে পারে।



























