রাবিপ্রবিতে দুইদিন ব্যাপি এআই দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তাদের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহারিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যৎ কর্মক্ষেত্রের জন্য প্রস্তুত করতে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয়েছে।
বুধ ও বৃহস্পতিবার (৪ ও ৫ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয় ও এসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) যৌথভাবে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষ ও স্নাতকোত্তর পর্যায়ের ১৫৪ জন শিক্ষার্থী ও ৩৮ জন কর্মকর্তাসহ মোট ১৯২ জন অংশ নেন।
প্রশিক্ষণের বিভিন্ন পর্বে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন, ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইকবাল, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. জয়নুল আবেদিন সিদ্দিকী, উপ- উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম, এটুআইয়ের প্রকল্প পরিচালক ও অতিরিক্ত সচিব মোহাম্মদ আনোয়ার উদ্দিন, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) ফাতেমা তুল জান্নাত, এটুআইয়ের হেড অব ফিউচার অব ওয়ার্ক সালাহউদ্দিন মোহাম্মদ উজ্জ্বল এবং হেড অব কমিউনিকেশনস মোহাম্মদ সফিউল আযম, রাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তৌহিদুল আলম এবং ড. তানজিম মাহমুদ প্রমূখ।
প্রশিক্ষক হিসেবে সেশন পরিচালনা করেন এজেন্সি টু ইনোভেটের প্রোগ্রামার ফরিদ উদ্দিন আহমেদ খন্দকার এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের সহকারী প্রোগ্রামার রিয়াজুল ইসলাম। প্রশিক্ষণে শিক্ষা, গবেষণা ও পেশাগত জীবনে এআইয়ের কার্যকর প্রয়োগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
অংশগ্রহণকারীরা কার্যকর প্রম্পট তৈরি, উপযুক্ত এআই টুল নির্বাচন, গবেষণা ও একাডেমিক লেখালেখি, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা যাচাই এবং চাকরির প্রস্তুতিতে এআই ব্যবহারের কৌশল সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ নেন। এ ছাড়া অডিও-ভিডিও কনটেন্ট ও উপস্থাপনা তৈরি এবং ‘ভাইব কোডিং-এর মাধ্যমে সহজ ওয়েবসাইট ও অ্যাপ তৈরির প্রাথমিক ধারণা দেওয়া হয়। পাশাপাশি এআইয়ের নৈতিক ব্যবহার, তথ্যের গোপনীয়তা ও সাইবার নিরাপত্তার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রশিক্ষণের বিভিন্ন আলোচনায় বক্তারা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিশ্বব্যাপী শিক্ষা, গবেষণা, কর্মসংস্থান ও সেবা প্রদানের ধরন বদলে দেয়ার ব্যাপারে বলেন। এই পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিনির্ভর সমস্যা সমাধান, সৃজনশীলতা ও উদ্ভাবনী দক্ষতা অর্জন করার পরামর্শ দেন। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষায় এআইয়ের ব্যবহারিক প্রয়োগ সম্প্রসারণ এবং কর্মক্ষেত্রের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষার সমন্বয় বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।



























