মঙ্গলবার ০৬ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৫১, ৬ অক্টোবর ২০২৬

নিরাপদ শৈশব ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে: ডা. জুবাইদা রহমান

নিরাপদ শৈশব ও সুরক্ষিত ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে হবে: ডা. জুবাইদা রহমান
ছবি: সংগৃহীত

শিশুদের মেধা ও প্রতিভা বিকাশে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেছেন, শৈশব নিরাপদ ও ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত হলেই শিশুরা নতুন উদ্যমে নিজেদের স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা পূরণে সফল হবে।

মঙ্গলবার শিশু অধিকার দিবস-২০২৬ ও বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন ডা. জুবাইদা রহমান।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মহিলা, শিশু ও সমাজকল্যাণবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বাংলাদেশ শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং শিশু-কিশোরদের আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান ডা. জুবাইদা রহমান।

তিনি বলেন, প্রত্যেক শিশুর মধ্যেই অসীম সম্ভাবনা ও প্রতিভা রয়েছে। এসব প্রতিভার যথাযথ বিকাশে শিশুদের উপযোগী পরিবেশ তৈরি এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আজ থেকে ৫০ বছর আগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ শিশু একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন। শিশুদের সম্ভাবনা ও ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার লক্ষ্য নিয়ে প্রতিষ্ঠিত এ প্রতিষ্ঠানটি নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে গত পাঁচ দশক ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।’

শিশুদের সৃজনশীলতা বিকাশে বাংলাদেশ শিশু একাডেমির ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘শিশু একাডেমির আঙিনায় ছবি আঁকা, সংগীত, নৃত্য, আবৃত্তি ও সাহিত্যচর্চার মধ্য দিয়ে অগণিত শিশু-কিশোরের প্রতিভা বিকশিত হয়েছে। শিশুদের সৃজনশীলতা ও মেধা বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।’

শিশুদের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথাও তুলে ধরেন ডা. জুবাইদা রহমান। তিনি বলেন, ‘দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি বাধ্যতামূলক ও অবৈতনিক প্রাথমিক শিক্ষা এবং মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ গ্রহণ করেন।’

বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে আরও আধুনিক ও শিশুবান্ধব প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘শিশু একাডেমির সুবর্ণজয়ন্তীর এই শুভক্ষণে নতুন উদ্যোগে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ শিশু একাডেমিকে দেশের প্রতিটি প্রান্তের সব শিশুর কাছে পৌঁছে দিতে হবে। আগামী দিনেও শিশু একাডেমি শিশুদের স্বপ্ন ও প্রতিভা বিকাশের একটি নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হয়ে থাকবে।’

সর্বশেষ

জনপ্রিয়