রোববার ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:৫০, ২৯ মার্চ ২০২৬

ব্যক্তিগত আক্রমণ ও রাজনীতির ঊর্ধ্বে সত্য: শামারুহ মির্জা

ব্যক্তিগত আক্রমণ ও রাজনীতির ঊর্ধ্বে সত্য: শামারুহ মির্জা
ছবি: সংগৃহীত

দেশের রাজনীতির উত্তাল প্রেক্ষাপটে প্রায়ই ব্যক্তি ও পরিবারকে টেনে আনার এক নেতিবাচক সংস্কৃতি দেখা যায়। সম্প্রতি এই সংস্কৃতির শিকার হয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং তার পূর্বসূরীরা। তবে এবার নীরবতা ভেঙে কলম ধরেছেন তার বড় মেয়ে চিকিৎসক ডক্টর শামারুহ মির্জা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি দিয়েছেন সমালোচকদের জবাব, তুলে ধরেছেন পরিবারের গৌরবোজ্জ্বল ও ত্যাগের ইতিহাস।

​শামারুহ মির্জা তার লেখায় অভিযোগ করেন যে, বিশেষ করে বাংলাদেশের জাতীয় দিবসগুলোর সময় বেশি চোখে পড়ে। এর কারণ একটাই, আমার আব্বা সবসময় পপুলিজমের বিপরীতে দাঁড়িয়ে স্পষ্টভাবে বলেছেন, ১৯৭১ এর গল্প, বাঙালির শুধু বাংলাদেশি হয়ে ওঠার কথা, একটি পতাকার নিচে।

১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ, ঠাকুরগাঁও পুলিশ স্টেশনে মির্জা আলমগীর প্রথম পাকিস্তানের পতাকা নামান।  বজলার চাচা বাংলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। 

এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে দাদা মির্জা রুহুল আমিন তাঁর স্ত্রী, মেয়ে ও ছোট দুই ছেলেকে নিয়ে ইসলামপুরে চলে যান। সেখানে একটি ছোট বাসা ভাড়া করে থাকতেন। ডিসেম্বরে তিনি ফিরে আসেন। ১৯৭৫ সালে তিনি পৌরসভার চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। জীবনে কোনো নির্বাচনেই তিনি হারেননি, হোক তা পৌরসভা, বা সংসদ।

তিনি আরও লেখেন, আমার এইচএসসি রেজাল্টের সময় দাদা সিএমএইচে ছিলেন। তখন তাঁর ক্যান্সার। আমার ফলাফলে তাঁর যে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছিল, সেটা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। এমনভাবে কেউ কোনোদিন আমাকে অনুপ্রাণিত করেনি। 

অসুস্থ শরীর নিয়ে শরীরের সমস্ত শক্তি তাঁর কণ্ঠে এনে ফোন এ বলেছিলেন, “দাদা, তুমি আমাদের পরিবারের তারা।”
আলহামদুলিল্লাহ, আজ যা কিছু অর্জন, সবই আমাদের মেধা, পরিশ্রম ও সততার ফল। দোয়া করবেন, যেন এভাবেই থাকতে পারি।

মৃত্যুর পর হাশরের ময়দানে মানুষকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হবে। তার মধ্যে একটি "তুমি যে জ্ঞান অর্জন করেছিলে, তা দিয়ে কী কাজ করেছ?"
আমরা যেন এই প্রশ্নগুলোর জবাব দিতে গিয়ে আটকে না যাই—সেই চেষ্টাই করি। জ্ঞান অর্জন করুন এবং সেটা ভালো কাজে লাগান।

সর্বশেষ