শনিবার ২৯ আগস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫:৫৩, ২৮ আগস্ট ২০২৬

রঙ-তুলির আঁচড়ে ক্যানভাসে ফুটে উঠল দেশপ্রেম ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ

রঙ-তুলির আঁচড়ে ক্যানভাসে ফুটে উঠল দেশপ্রেম ও সম্প্রীতির বাংলাদেশ
ছবি: সংগৃহীত

রঙ-তুলির আঁচড়ে ক্যানভাসে ফুটে উঠেছে দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের স্বপ্ন। শিশু-কিশোরদের সৃষ্টিশীলতায় উঠে এসেছে দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্য, নদী-প্রকৃতি, সম্প্রীতি এবং স্বাধীনতার গৌরবময় নানা অনুষঙ্গ।

নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘সম্প্রীতি ও স্বাধীনতা’ শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতায় তিনটি ক্যাটাগরিতে সেরা ১২ জনকে পুরস্কৃত করা হয়েছে।

শুক্রবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে নজরুল ইনস্টিটিউটে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে স্বাধীনতা সাংস্কৃতিক পরিষদ ও স্বাধীনতা চারুশিল্পী পরিষদ। সকাল থেকেই শিশু-কিশোরদের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে মুখর হয়ে ওঠে ইনস্টিটিউট প্রাঙ্গণ। রঙের সঙ্গে তাদের স্বপ্ন, কল্পনা ও সৃজনশীলতার মেলবন্ধনে ক্যানভাসে ফুটে ওঠে বাংলাদেশের নানা রূপ।

প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী অধ্যাপক জামাল আহমেদ। প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি ক্ষুদে শিল্পীদের দেশ ও মানুষকে ভালোবেসে ছবি আঁকার আহ্বান জানান।

অধ্যাপক জামাল আহমেদ বলেন, সুন্দর জীবন গড়ে তুলতে হলে দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ করতে হবে। সমাজের সব স্তরের মানুষের জন্য কাজ করার মানসিকতা নিয়ে নিজেদের গড়ে তুলতে হবে। দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা থেকেই সৃষ্টিশীলতার বিকাশ ঘটাতে হবে।

প্রতিযোগিতাটি তিনটি ক্যাটাগরিতে অনুষ্ঠিত হয়। শিশু শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয় ছিল ‘আমাদের নদী’। চতুর্থ থেকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ছবি আঁকে ‘স্বাধীনতা ও সম্প্রীতি’ বিষয়ে। আর অষ্টম থেকে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয় ছিল ‘চেতনায় বাংলাদেশ’।

তিনটি ক্যাটাগরিতে মোট ১২ জনকে সেরা নির্বাচিত করে পুরস্কৃত করা হয়। পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া সব শিশু-কিশোরের হাতে তুলে দেওয়া হয় সনদপত্র।

আয়োজকরা জানান, শিশু-কিশোরদের সৃজনশীলতার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, ঐতিহ্য ও অসাম্প্রদায়িক মূল্যবোধ পৌঁছে দেওয়াই এ আয়োজনের মূল উদ্দেশ্য। শিল্পচর্চার মধ্য দিয়ে শিশুদের মধ্যে দেশ ও মানুষের প্রতি ভালোবাসা আরও গভীর হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারা।

সম্পর্কিত বিষয়:

জনপ্রিয়