কক্সবাজার বিমানবন্দরে গণশুনানি অনুষ্ঠিত
মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কক্সবাজার বিমানবন্দরে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় বিমানবন্দরের ডিপারচার লাউঞ্জে বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বিমানবন্দর ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে সরাসরি মতামত, পরামর্শ ও অভিযোগ গ্রহণের মাধ্যমে সেবার মান বাড়ানোই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।
গণশুনানিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বেবিচকের সদস্য (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব এস এম লাবলুর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বেবিচকের সদস্য (এটিএম) এয়ার কমডোর মো. নূর-ই-আলম, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. নুরুল হুদা এবং বেবিচকের পরিচালক (সম্পত্তি ব্যবস্থাপনা) ও উপসচিব সানিউল ফেরদৌস।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কক্সবাজার বিমানবন্দরের পরিচালক (রু. দা.) মো. গোলাম মোর্তজা হোসেন।
শুনানিতে যাত্রীসাধারণ, সংবাদকর্মী, এয়ারলাইনস প্রতিনিধি ও বিভিন্ন অংশীজন অংশ নেন। এ সময় যাত্রীরা ফ্লাইট সময়সূচি ব্যবস্থাপনা, অভিযোগ নিষ্পত্তি প্রক্রিয়া সহজ করা, তথ্যপ্রাপ্তির স্বচ্ছতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং ব্যাগেজ হ্যান্ডলিংয়ের মান নিয়ে আলোচনা করেন।
এছাড়া বিমানবন্দর এলাকার পরিচ্ছন্নতা, শৌচাগার ও ওয়েটিং লাউঞ্জের সুবিধা, খাবার ও পানির মূল্য এবং পার্কিং সুবিধা আধুনিকায়নের বিষয়েও তারা গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।
অনুষ্ঠানে এয়ারলাইনসগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা, ফ্লাইট বাতিল বা বিলম্বের তথ্য আগেভাগে জানানো এবং গ্রাহকসেবা ডেস্কের কার্যকারিতা বৃদ্ধির বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ও আঞ্চলিক এভিয়েশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়েও গঠনমূলক আলোচনা হয়।
কর্তৃপক্ষ উপস্থিত যাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের আশ্বাস দেয়। এছাড়া দীর্ঘমেয়াদি ও নীতিনির্ধারণী বিষয়গুলো পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়। সরাসরি এ মতবিনিময় বিমানবন্দর ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও সেবার মান বাড়াতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।



























