রোববার ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৫ মাঘ ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫৯, ৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর

নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন গণঅধিকার পরিষদের নুর
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দোরগোড়ায়। চলছে প্রার্থী, কর্মী ও সমর্থকদের শেষ মুহুর্তের প্রচার। এরই মধ্যে আকস্মিক নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন মৌলভীবাজার-১ (বড়লেখা-জুড়ী) আসনে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) মনোনীত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী, দলটির কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ও নিরাপত্তা বিষয়ক সহ-সম্পাদক মো. আব্দুন নুর।

বড়লেখার একটি অভিজাত রেস্টুরেন্টে শুক্রবার রাত ১১টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদকে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।

এর আগে ওইদিন রাত পর্যন্ত তিনি তার দলের জেলা নেতৃবৃন্দদের সাথে নিয়ে এলাকায় ব্যাপক গণসংযোগ ও ট্রাক প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন।

সংবাদ সস্মেলনে মৌলভীবাজার-১ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠুসহ উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে মো. আব্দুন নুর বলেন, “আমি মৌলভীবাজার-১ আসনে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত ট্রাক প্রতীকের একজন প্রার্থী। আমি নির্বাচনি মাঠে দিন রাত কাজ করে যাচ্ছি নতুন দলের তরুণ প্রার্থী হিসেবে। নির্বাচনি কাজ করে আমি যা অনুভব করেছি, আমার মনে হয়েছে মানুষ পরিবর্তনের ডাকে সাড়া দিচ্ছেন। আমি সেইসব ভোটার ও নাগরিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ভালোবাসা জ্ঞাপন করি।”

তিনি বলেন, “এই বড়লেখা ও জুড়ী আসনের সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ এবং ভোটারবৃন্দ যারা আমাকে ভালোবাসেন এবং যারা বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রার্থী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু ভাইকে ভালোবাসেন তারা এবং আমরা সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করব।”

আব্দুন নুর বলেন, “আমি সবার সাথে আলোচনা করে এই মর্মে সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছি যে, গণঅধিকার পরিষদের সম্মানিত সংগ্রামী সভাপতি ভিপি নুরুল হক নুরের যে সিদ্ধান্ত, যে সমঝোতার সিদ্ধান্ত বিএনপির সাথে আমি সেটাকে সাদরে গ্রহণ ও তার সমঝোতাকে আমি অনুসরণ করে, অনুকরণ করে আমি মৌলভীবাজার-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী, ধানের শীষের প্রার্থী আলহাজ্ব নাসির উদ্দিন আহমদ মিঠু সাহেবকে আমি পূর্ণাঙ্গ সমর্থন দান করলাম।”

তিনি আরও বলেন, “আমি একটি মামলা করেছিলাম। সেই মামলায় একজন আসামি যিনি ২০১৮ সালে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী, সাবেক মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন সাহেবের বিজয় নিশ্চিত করার জন্য দুইটি কেন্দ্র দখল করে। ওই ব্যক্তি যিনি মাফিয়া জগতের প্রধান, অত্র অঞ্চলের নিয়ন্ত্রক, অবৈধ ব্যবসার নিয়ন্ত্রক তিনি এবং তার সাঙ্গপাঙ্গরা প্রতিনিয়ত আমাকে হুমকি দিচ্ছে। আমি একজন এই আসনের প্রার্থী, আমার বাড়ির কেন্দ্র উনি ছিনিয়ে নেবেন এটা বলে তিনি প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়েছেন। আমি আমার জীবন নিয়ে শঙ্কায় আছি। যদি আমি টার্গেট কিলিংয়ের শিকার হই, যদি আমার কিছু হয় এটি আপানাদের জানিয়ে দিলাম। আমি জীবনকে পরোয়া করি না। আমি জীবন বাজি রেখে আন্দোলন-সংগ্রাম চালিয়েছি। মানুষের অধিকার ও মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করার জন্য আমি রাজপথে ছিলাম, আছি এবং থাকব।”