মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপদের দায়িত্ব বণ্টনের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের বিভিন্ন জেলার দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্তের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ১১ সংসদ সদস্য। এ সিদ্ধান্ত আইনগত কর্তৃত্বের মধ্যে পড়ে কি না এবং সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, তা চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদনটি করা হয়েছে।
রোববার (৩০ আগস্ট) রিট দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করেন আবেদনকারীদের আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এ মামলায় মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে বিবাদি করা হয়েছে।
আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির বলেন, ‘রুলস অব বিজনেস, বাংলাদেশের সংবিধান ও উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এ ধরনের সিদ্ধান্ত আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত এবং বেআইনি।’
রিটে বলা হয়েছে, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের জেলা ভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টনের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো আইনগত ক্ষমতা রয়েছে কি না, তা আদালতের পর্যালোচনা প্রয়োজন। একই সঙ্গে সিদ্ধান্তটি সংবিধান ও প্রচলিত আইনকানুনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না, সেটিও নির্ধারণের জন্য আদালতের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছে।
রিট আবেদনকারী ১১ সংসদ সদস্য হলেন—পাবনা-১ আসনের মুহাম্মদ নাজিবুর রহমান, ঢাকা-১৪ আসনের মীর আহমাদ বিন কাসেম, রংপুর-৫ আসনের মো. গোলাম রব্বানী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের মো. নুরুল ইসলাম, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনের মো. মাসুদ পারভেজ, যশোর-১ আসনের মুহাম্মদ আজিজুর রহমান, বাগেরহাট-২ আসনের শেখ মনজুরুল হক (রাহাদ), পটুয়াখালী-২ আসনের মো. শফিকুল ইসলাম, শেরপুর-১ আসনের মো. রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, গাজীপুর-৪ আসনের সালাহ উদ্দিন এবং চট্টগ্রাম আসনের মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম।
আইনজীবী শিশির মনির আরও জানান, ২০০১ সালেও মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও হুইপদের একইভাবে জেলাভিত্তিক দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছিল। ওই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে সে সময় হাইকোর্টে রিট করা হয়। শুনানি শেষে হাইকোর্ট বিভাগ দায়িত্ব বণ্টন-সংক্রান্ত ওই সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেছিলেন।



























