নদী বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স : পানিসম্পদ মন্ত্রী
নদী বাঁধ নির্মাণে দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স বলে জানিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
শনিবার লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার মাতাব্বরহাট এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ১শ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়নাধীন নদী তীর রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। রামগতি ও কমলনগর উপজেলায় প্রায় ৩৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ নির্মাণকাজ বর্তমানে চলমান রয়েছে।
তিনি বলেন, যেসব স্থানে নদী বাঁধের কাজ চলছে, সেসব প্রকল্পের প্রতিটি ধাপ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং কাজের মান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, অতীতে অনেক প্রকল্পে কাজের পরিবর্তে লুটপাট হয়েছে। যারা আগে ক্ষমতায় ছিলেন, তারা উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নের বদলে নানা অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ করে বিদেশে পাচার করেছেন। এসব অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয় বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে। প্রকল্পের নামে অর্থ লুটপাটের কারণে প্রকৃত উন্নয়ন হয়নি এবং এতে সাধারণ মানুষ বঞ্চিত হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘যেসব কর্মকর্তা বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উন্নয়ন প্রকল্পের অর্থ জনগণের, তাই সেই অর্থের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সরকারের দায়িত্ব।’
পানিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, নদী ভাঙনের কারণে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগর এলাকার মানুষ দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আসছে। নদীর ভাঙনে বহু মানুষ তাদের বাড়িঘর, জমিজমা ও জীবিকা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। নদীমাতৃক এই অঞ্চলে ভাঙন ও জলাবদ্ধতার কারণে কৃষিকাজও বাধাগ্রস্ত হয়।
তিনি বলেন, ‘এখন একটা নতুন সুযোগ এসেছে। তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশপ্রেমিক নতুন সরকার দেশের দায়িত্ব পেয়েছে। আমরা জনগণের পাশে দাঁড়াতে চাই এবং দীর্ঘদিনের জনদাবিগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছি।’



























