শুক্রবার ০২ জানুয়ারি ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:০৪, ২ জানুয়ারি ২০২৬

বাবার চেয়ে ১৮ গুণ বেশি টাকা এনসিপির প্রার্থী হান্নান মাসউদের

বাবার চেয়ে ১৮ গুণ বেশি টাকা এনসিপির প্রার্থী হান্নান মাসউদের
ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনে ব্যতিক্রমী এক রাজনৈতিক লড়াইয়ের দৃশ্য দেখা যাচ্ছে। এই আসনে মুখোমুখি প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছেন বাবা ও ছেলে—তবে ভিন্ন ভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে।

বাবা অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আমিরুল ইসলাম মোহাম্মদ আবদুল মালেক সুপ্রিম পার্টির প্রার্থী হিসেবে এবং ছেলে আব্দুল হান্নান মাসউদ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন। হান্নান মাসউদ দলটির সিনিয়র যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়কের দায়িত্বেও রয়েছেন।

গত সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে তারা দুজনই নিজ নিজ মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী, আর্থিক সামর্থ্যে বাবার তুলনায় প্রায় ১৮ গুণ এগিয়ে রয়েছেন ছেলে।

হলফনামায় আমিরুল ইসলাম উল্লেখ করেছেন, তার হাতে নগদ অর্থ রয়েছে ১ লাখ ৯৩ হাজার টাকা। অন্যদিকে আব্দুল হান্নান মাসউদ তার নগদ অর্থের পরিমাণ দেখিয়েছেন ৩৫ লাখ টাকা।

হলফনামা অনুযায়ী, হান্নান মাসউদ পেশায় একজন ব্যবসায়ী। তিনি নিজেকে আলিম পাস হিসেবে উল্লেখ করে ঢাকাভিত্তিক ‘ডিজেল্যান্ট গ্লোবাল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের মালিকানা দাবি করেছেন। এই ব্যবসা থেকে তার বার্ষিক আয় দেখানো হয়েছে ৬ লাখ ৭০ হাজার টাকা। এছাড়া ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা রয়েছে ১ হাজার ৫৫ টাকা। বন্ড ও ঋণপত্রে বিনিয়োগ রয়েছে ১ লাখ টাকা। তার স্বর্ণালংকারের মূল্য দেখানো হয়েছে ৮ লাখ টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ১ লাখ টাকা।

অন্যদিকে বাবা আমিরুল ইসলাম আবদুল মালেক তার হলফনামায় ইলেকট্রনিক সামগ্রীর মূল্য ২৫ হাজার টাকা এবং আসবাবপত্রের মূল্য ৭৫ হাজার টাকা উল্লেখ করেছেন।

হলফনামা অনুযায়ী, আব্দুল হান্নান মাসউদের বয়স ২৫ বছর এবং তার বাবা আমিরুল ইসলাম আবদুল মালেকের বয়স ৬৫ বছর। বাবা-ছেলে দুজনই নোয়াখালীর হাতিয়া উপজেলার বুড়ির চর ইউনিয়নের উত্তর সাগরিকা গ্রামে বসবাস করেন।

উল্লেখ্য, তাদের বসতবাড়িতে আগে ভাঙাচোরা ঘর থাকলেও বর্তমানে সেখানে একটি পাকা ঘর নির্মাণের কাজ চলছে। বাড়ির সামনে ও পেছনে দুটি ছোট আকারের পুকুর রয়েছে।

জনপ্রিয়