বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ০১:২১, ২১ জানুয়ারি ২০২৬

ক্ষমতায় গেলে ৫ লাখ বেকারকে ১০ হাজার করে মাসিক ঋণ দেবে জামায়াত

ক্ষমতায় গেলে ৫ লাখ বেকারকে ১০ হাজার করে মাসিক ঋণ দেবে জামায়াত
ছবি: সংগৃহীত

ক্ষমতায় গেলে শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর চাকরি পাওয়া পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পাঁচ লাখ বেকার তরুণকে সর্বোচ্চ দুই বছরের জন্য মাসিক ১০ হাজার টাকা করে সুদমুক্ত ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।

মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত জামায়াতের ‘পলিসি সামিট ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এসব প্রতিশ্রুতি তুলে ধরা হয়।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় গেলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণ করা হবে। করব্যবস্থায় সংস্কার এনে বর্তমান হার থেকে ধাপে ধাপে কমিয়ে দীর্ঘমেয়াদে ট্যাক্স ১৯ শতাংশ এবং ভ্যাট ১০ শতাংশে নামিয়ে আনা হবে। একই সঙ্গে এনআইডি, টিআইএন, স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা একীভূত করে ‘স্মার্ট সোশ্যাল সিকিউরিটি কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

জামায়াত জানায়, তারা ক্ষমতায় গেলে আগামী তিন বছর শিল্পখাতে গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানির দাম বাড়ানো হবে না। বন্ধ কলকারখানাগুলো পাবলিক–প্রাইভেট পার্টনারশিপ  ভিত্তিতে চালু করা হবে এবং শ্রমিকদের ১০ শতাংশ মালিকানা নিশ্চিত করা হবে। কৃষকদের জন্য থাকবে সুদবিহীন ঋণ সুবিধা।

শিক্ষা খাতে দলটি প্রতিশ্রুতি দেয়, মেধা ও প্রয়োজনের ভিত্তিতে এক লাখ শিক্ষার্থীকে মাসিক ১০ হাজার টাকা করে সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি প্রতি বছর বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পড়াশোনার জন্য ১০০ শিক্ষার্থীকে সুদমুক্ত শিক্ষাঋণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। এতে করে গরিব ঘরের মেধাবী শিক্ষার্থীরাও হার্ভার্ড, এমআইটি, অক্সফোর্ড ও ক্যামব্রিজের মতো বিশ্বখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবে বলে জানানো হয়।

নারী শিক্ষার উন্নয়নে জামায়াত ক্ষমতায় গেলে ইডেন কলেজ ও বদরুন্নেসা কলেজ একীভূত করে বিশ্বের সর্ববৃহৎ নারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়।

স্বাস্থ্য খাতে দলটি ষাটোর্ধ্ব নাগরিক ও পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের জন্য বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা চালু এবং প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশেষায়িত হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি দেয়। 

এছাড়া ‘ফার্স্ট থাউজেন্ড ডেইজ প্রোগ্রাম’-এর আওতায় গর্ভধারণ থেকে শিশুর বয়স দুই বছর পর্যন্ত মা ও শিশুর প্রাথমিক স্বাস্থ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তাকে সামাজিক সুরক্ষার আওতায় আনার লক্ষ্যও তুলে ধরা হয়।