সোমবার ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:১৫, ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

নির্বাচনোত্তর হামলা ও সহিংসতার প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ

নির্বাচনোত্তর হামলা ও সহিংসতার প্রতিবাদে ১১ দলীয় জোটের বিক্ষোভ
ছবি: সংগৃহীত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সারাদেশে সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যভুক্ত জোটের আহ্বানে বিক্ষোভ সমাবেশ শুরু হয়েছে।

সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম–এর উত্তর গেটে এ সমাবেশ শুরু হয়।

ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সহ-প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমন জানান, নির্বাচন-পরবর্তী সারাদেশে সংঘটিত সহিংসতা, নির্যাতন, নিপীড়ন, হত্যা ও ধর্ষণের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হবে। মিছিলটি বায়তুল মোকাররম উত্তর গেট থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ পর্যন্ত যাওয়ার কথা রয়েছে।

সমাবেশে উপস্থিত আছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ ১১ দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তব্য দিচ্ছেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ জামায়াতের নেতারা। এ সময় উপস্থিত রয়েছেন— জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের আমির ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩ আসনের এমপি নুরুল ইসলাম বুলবুল, দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক ও পটুয়াখালী-৩ আসনের এমপি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ড. রেজাউল করিম, মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামান এবং লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ২৯৯টি আসনে ভোট গ্রহণ হলেও ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে ২৯৭টি আসনের। এর মধ্যে জামায়াত জোট বিজয়ী হয়েছে ৭৭টি আসনে।

শরিক দলগুলোর মধ্যে জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি আসন। জুলাই আন্দোলনের ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বে গঠিত জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পেয়েছে ছয়টি আসন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসনে বিজয়ী হয়েছে।