রোববার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:৪২, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

ক্রিকেটের সাথে রাজনীতি মেশানো উচিত না: রশিদ খান

ক্রিকেটের সাথে রাজনীতি মেশানো উচিত না: রশিদ খান
ছবি: সংগৃহীত

বিশ্ব ক্রিকেট ধীরে ধীরে মাঠের গণ্ডি পেরিয়ে ঢুকে পড়ছে রাজনীতির জটিল সমীকরণে। দীর্ঘদিন ধরেই ভারত-পাকিস্তানের রাজনৈতিক বৈরিতা ক্রিকেটকে প্রভাবিত করে আসছিল। এবার সেই উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ পর্যন্ত। ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ সামনে রেখে ক্রিকেট বিশ্ব এক অস্বস্তিকর সময় পার করছে, যেখানে খেলাধুলার চেয়ে বড় হয়ে উঠছে কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এই বাস্তবতায় ক্রিকেটের সঙ্গে রাজনীতি মেশানো নিয়ে মুখ খুলেছেন আফগানিস্তানের লেগ স্পিন তারকা রশিদ খান।

‘স্পোর্টস তাক’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রশিদ খান বলেন, ‘আমার মনে হয়, খেলাধুলার ক্ষেত্রে স্পোর্টিং মানসিকতা থাকা উচিত। প্রায়ই সবাই বলে, ক্রিকেট আর রাজনীতি একসঙ্গে মেশানো ঠিক না। যদি না মেশানোই উচিত হয়, তাহলে সত্যিই মেশানো উচিত না। তবে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য দায়িত্বরত ব্যক্তিরা আছেন। আমার জন্য বিষয়টি বলা কঠিন, কারণ এটি আমার দেশ নয়। যদি আমার দেশ হতো, তাহলে হয়তো আমি ভিন্নভাবে কথা বলতে পারতাম।’

রশিদ খান মনে করেন, যুদ্ধবিধ্বস্ত আফগানিস্তানের জন্য ক্রিকেট শুধু একটি খেলা নয়, বরং এটি পরিচয়ের প্রতীক। তার ভাষায়, ‘আমরা সবসময় বলি, খেলাধুলা মানুষকে এক করে, সব দেশকে এক জায়গায় আনে। খেলাধুলার এটাই সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য। আফগানিস্তানের জন্য খেলাধুলা যা করেছে, অন্য কোনো কিছু তা করতে পারত না।’

বিশ্বজুড়ে আফগানিস্তানের নাম ছড়িয়ে দেওয়ার পেছনে ক্রিকেটের বড় ভূমিকা রয়েছে বলেও জানান তিনি। রশিদের মতে, ‘খেলার কারণেই বিশ্বব্যাপী আমাদের দেশের নাম ছড়িয়ে পড়েছে। এখন বিশ্বের যে কোনো জায়গায় গেলে আফগানিস্তান বললে মানুষ প্রথমে ক্রিকেটের কথা বলে, ক্রিকেটারদের নাম বলে। খেলাধুলার সৌন্দর্য এটাই। আমি এটাকে সত্যিই ভালোবাসি।’

রাজনীতি ও ক্রিকেটের এই জটিল সম্পর্ক ভবিষ্যতে কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তবে রশিদ খানের কথায় স্পষ্ট—খেলাধুলা বিভাজনের নয়, বরং সংযোগের ভাষা হওয়াই তার প্রকৃত পরিচয়।

সর্বশেষ