হেনস্তার শিকারের বিষয়ে যা বললেন ঐশ্বরিয়া
দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাজেশ পর্দায় যেমন শক্তিশালী চরিত্রে দর্শকদের মুগ্ধ করেন, বাস্তব জীবনের লড়াইটাও ছিল তেমনই কঠিন। ঝলমলে ক্যারিয়ারের আড়ালে লুকিয়ে আছে তিক্ত অভিজ্ঞতার গল্প। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নিজের অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের কিছু অস্বস্তিকর ও দুঃসহ ঘটনার কথা প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি। সেখানে কাস্টিং কাউচ থেকে শুরু করে কর্মক্ষেত্রে অপমানের মতো অভিজ্ঞতার কথাও অকপটে তুলে ধরেন এই অভিনেত্রী।
ঐশ্বরিয়া জানান, ক্যারিয়ারের একদম শুরুতে একটি ফটোশুটের প্রস্তাব পেয়েছিলেন তিনি। বয়স তখন খুবই কম ছিল। নিরাপত্তার কথা ভেবে দাদাকে সঙ্গে নিয়ে স্টুডিওতে যান তিনি। কিন্তু সেখানে পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি অস্বাভাবিক হয়ে ওঠে। ফটোগ্রাফার কৌশলে তার দাদাকে বাইরে অপেক্ষা করতে বলেন।
অভিনেত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, ভেতরে নিয়ে গিয়ে ওই ফটোগ্রাফার তাকে অন্তর্বাস পরতে বলেন এবং স্পষ্টভাবে মন্তব্য করেন, ‘আমি তোমার শরীরটা দেখতে চাই।’ হঠাৎ এমন প্রস্তাবে তিনি ভীষণভাবে অপ্রস্তুত হয়ে পড়েন। মুহূর্তটির ভয়াবহতায় তিনি প্রায় রাজি হয়েই যাচ্ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তার অন্তর্দৃষ্টি তাকে থামিয়ে দেয়।
বুদ্ধি খাটিয়ে তিনি বলেন, ‘এ ব্যাপারে ভাইয়ের অনুমতি নিতে হবে।’ এই কথাটিই তাকে সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ করে দেয়। পরে তিনি দ্রুত সেখান থেকে চলে যান। আশ্চর্যের বিষয় হলো, আজও সেই ঘটনার কথা পরিবারের কাউকে, এমনকি নিজের ভাইকেও জানাননি তিনি।
শুধু কাস্টিং কাউচ নয়, কর্মক্ষেত্রেও অপেশাদার আচরণের শিকার হতে হয়েছে তাকে। ঐশ্বরিয়া বলেন, একটি সিনেমার শুটিংয়ে মাত্র কয়েক মিনিট দেরিতে পৌঁছানোর কারণে এক পরিচালক তাকে সবার সামনে অত্যন্ত কুরুচিপূর্ণ ভাষায় অপমান করেন। জুনিয়র আর্টিস্টদের সামনে তাকে ভর্ৎসনা করা হয় এবং অন্য অভিনেত্রীদের সঙ্গে তুলনা টেনে হেয় করা হয়।



























