বিশ্বকাপে যে দেশের বিপক্ষে খেলতে চান না মেসি
ফুটবল বিশ্বকাপের নতুন আসর শুরু হতে আর খুব বেশি দেরি নেই। শিরোপাধারী আর্জেন্টিনা ইতিমধ্যেই নিজেদের প্রস্তুতি গুছিয়ে নিচ্ছে শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়ে। তবে টুর্নামেন্ট ঘিরে প্রত্যাশা, চাপ ও সম্ভাব্য প্রতিদ্বন্দ্বীদের প্রসঙ্গ উঠতেই আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি একটি দলকে নিয়ে স্পষ্ট সতর্কতার কথা জানিয়েছেন—মেক্সিকোর বিপক্ষে শুরুতেই পড়তে চান না তিনি।
জাতীয় দলের সাবেক সতীর্থ এবং বর্তমানে মেক্সিকোর ক্লাব টিগ্রেসের গোলরক্ষক নাহুয়েল গুজম্যানের সঙ্গে ‘মিরো দে আত্রাস’ পডকাস্টে আলাপচারিতায় নিজের অনুভূতি খুলে বলেন ৩৮ বছর বয়সী এই মহাতারকা।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপে গ্রুপ পর্বে মেক্সিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার ২–০ গোলের জয়টির কথা স্মরণ করে মেসি জানান, ম্যাচটির গুরুত্ব ছিল অসাধারণ। সেই ম্যাচে হারলেই টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিতে হতো তাদের।
মেসি বলেন, বিশ্বকাপ কিংবা বড় প্রতিযোগিতায় আর্জেন্টিনা ও মেক্সিকোর মুখোমুখি হওয়া প্রায় নিয়মিত ঘটনা, আর অনেক সময়ই সেগুলো হয়ে ওঠে বাঁচা-মরার লড়াই। তিনি স্বীকার করেন, কাতারের সেই ম্যাচে আর্জেন্টিনা আত্মবিশ্বাসী থাকলেও ভেতরে ভেতরে চাপ ও শঙ্কা কাজ করছিল।
তার ভাষায়, দলটি ভয় নিয়েই মাঠে নেমেছিল, কারণ আগেভাগে বিদায় নেওয়ার সম্ভাবনা খেলোয়াড়দের মানসিকভাবে চাপে রেখেছিল। মুখোমুখি পরিসংখ্যানে এগিয়ে থাকলেও মেক্সিকোকে সবসময়ই কঠিন প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন তিনি। বল দখলে রাখা, ম্যাচের গতি নিয়ন্ত্রণ করা এবং কৌশলগত শৃঙ্খলা—এসব গুণে তারা শক্তিশালী দলগুলোকেও ভোগাতে পারে বলে মনে করেন মেসি।
২০২৬ সালের বিশ্বকাপ যৌথভাবে আয়োজন করবে যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডা। স্বাগতিক হওয়ায় মেক্সিকো বাড়তি দর্শকসমর্থন ও পরিচিত পরিবেশের সুবিধা পাবে, যা তাদের আরও বিপজ্জনক করে তুলতে পারে। মেসির মতে, নিজেদের মাঠে খেলার প্রভাব সবসময়ই থাকে—কখনও ইতিবাচক, কখনও নেতিবাচক। এ কারণেই টুর্নামেন্টের শুরুতেই মেক্সিকোর মুখোমুখি না হওয়ার আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
উল্লেখ্য, আসন্ন বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে দুই দলের দেখা হচ্ছে না। গ্রুপ ‘এ’-তে রয়েছে মেক্সিকো। অন্যদিকে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা খেলবে ‘জে’ গ্রুপে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়া, আলজেরিয়া ও জর্ডান।



























