সড়কে মন্ত্রীর ভাগিনার রক্তাক্ত মরদেহ, পরিবারের দাবি হত্যা
টাঙ্গাইলের সখীপুরে আওয়াল শফিক (৪০) নামে এক স্বাস্থ্য সহকারীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সখীপুর–বাসাইল সড়কের নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত আওয়াল শফিক উপজেলার বোয়ালী গ্রামের প্রয়াত বীর মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেনের ছেলে। তিনি টাঙ্গাইল–৮ আসনের সংসদ সদস্য ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের ফুফাতো বোনের ছেলে।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, ঘটনার দিন সকাল ১০টার দিকে যাদবপুর ইউনিয়নের বেড়বাড়ি সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) কেন্দ্রে যান আওয়াল শফিক। পরে দুপুর ১২টার দিকে মোটরসাইকেলে করে নলুয়া বাজারের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। দুপুর পৌনে ১টার দিকে স্থানীয় লোকজন নলুয়া বাজারের অদূরে সড়কের ওপর তার রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়াল শফিকের মরদেহ শনাক্ত করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে।
যাদবপুর ইউনিয়ন কৃষক দলের আহ্বায়ক নাজিম উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে আওয়াল শফিকের মরদেহ দেখতে পান। তার মাথার এক পাশ থেঁতলে যাওয়ার পাশাপাশি গলায় কাটা দাগ ছিল। তবে সড়কের পাশে পড়ে থাকা মোটরসাইকেলটি অক্ষত অবস্থায় ছিল। আশপাশে কোনো ভারী যানবাহনের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির সংঘর্ষের আলামতও পাওয়া যায়নি।
এদিকে আওয়াল শফিকের মৃত্যুকে হত্যাকাণ্ড বলে সন্দেহ করছে তার পরিবার। পরিবারের সদস্যদের দাবি, সড়কের ওপর রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকলেও মোটরসাইকেলটি অক্ষত অবস্থায় পাওয়া গেছে। এতে ঘটনাটি সড়ক দুর্ঘটনা নয়, বরং পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে তাদের সন্দেহ।
সখীপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। ঘটনাস্থলের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।



























