বিতারা ইউনিয়নে সামাজিক-মানবিক কর্মকাণ্ডে আলোচনায় কামরুজ্জামান
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলার ৩ নম্বর বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা মজুমদার বাড়ির সন্তান ও স্পেন প্রবাসী কামরুজ্জামান মজুমদার জামান সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে স্থানীয়দের পাশে দাঁড়াচ্ছেন। তিনি প্রবাসী কচুয়া জাতীয়তাবাদী ফোরাম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং কচুয়া উপজেলা জাতীয়তাবাদী যুবদলের সহ-সভাপতি। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছেন।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিতারা ইউনিয়নের মাঝিগাছা, দুর্গাপুর, শিলাস্থান, টেলি, নিন্দপুর, শাসনপাড়া, বুধুন্ডা, চাংপুর, খলাগাঁও, তেগুরিয়া, বাইছাড়া, যুগিচাপর, সৈয়দপুর, বাতাপুকুরিয়া, অভয়পাড়া, বিতারাসহ ২৯টি গ্রামে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ইউনিয়নের অসহায়, দরিদ্র ও নিম্নআয়ের মানুষের জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগ ও অর্থায়নে দীর্ঘদিন ধরে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা কার্যক্রম পরিচালনা করছেন কামরুজ্জামান মজুমদার জামান। ইউনিয়নের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আয়োজিত এসব মেডিকেল ক্যাম্পে অভিজ্ঞ চিকিৎসকেরা রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন।
স্থানীয়রা জানান, প্রত্যন্ত এলাকার অনেক দরিদ্র মানুষ অর্থের অভাবে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিতে পারেন না। তাদের কথা বিবেচনা করেই বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে সাড়া পড়েছে।
চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে রোগীদের হাসপাতালে নেওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসও চালু করেছেন কামরুজ্জামান মজুমদার জামান। স্থানীয়দের ভাষ্য, জরুরি সময়ে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হওয়ায় এ সেবাটিও মানুষের কাজে আসছে।
সম্প্রতি সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে ফ্রান্সে আয়োজিত একটি আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলনের সঙ্গে কামরুজ্জামান মজুমদার জামানের সাক্ষাৎ হয়। ওই সাক্ষাতের পর চেয়ারম্যান প্রার্থী হওয়ার বিষয়ে তিনি ইতিবাচক সংকেত পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
কামরুজ্জামান মজুমদার জামান বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় ও প্রবাসী নেতাকর্মীদের পাশে ছিলাম। দলের দুর্দিনেও নানাভাবে দলের সঙ্গে ছিলাম। মাঠপর্যায়ের জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে সামাজিক ও মানবিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেছি। পদ-পদবি আল্লাহর দান। দলীয় নেতাকর্মী, সাধারণ জনগণ এবং সর্বোপরি আমার নেতা ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন ভাই চাইলে বৃহৎ পরিসরে জনগণের সেবা করার সুযোগ পাব।’
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, ভবিষ্যতেও অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য এ ধরনের সামাজিক ও মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।



























