বুধবার ২১ জানুয়ারি ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২

জাবি প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ২১:১৪, ২০ জানুয়ারি ২০২৬

দলীয় কর্মসূচিতে না যাওয়ায় জাবি ছাত্রদলের ১০ হলের ৩৩ নেতাকে শোকজ

দলীয় কর্মসূচিতে না যাওয়ায় জাবি ছাত্রদলের ১০ হলের ৩৩ নেতাকে শোকজ
ছবি: সংগৃহীত

নির্বাচন কমিশনের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ না করায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) শাখা ছাত্রদলের বিভিন্ন হল ইউনিটের ৩৩ জন নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) মধ্যরাতে জাবি শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক আবদুল্লাহ অন্তরের স্বাক্ষরিত পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০টি হলের এসব নেতাকে শোকজ করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত ১৮ ও ১৯ জানুয়ারি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের পূর্বঘোষিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংগঠনিক কর্মসূচি—নির্বাচন কমিশন কার্যালয় ঘেরাও—অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচিতে দলের সব পর্যায়ের দায়িত্বশীল নেতাকর্মীদের উপস্থিতি বাধ্যতামূলক ছিল। তবে সংশ্লিষ্ট নেতারা কোনো ধরনের পূর্ব অবহিতকরণ বা অনুমতি ছাড়াই কর্মসূচিতে অনুপস্থিত ছিলেন, যা দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

শোকজপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন—আল বেরুনী হল শাখার সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মিনহাজুল ইসলামসহ ৭ জন; শহীদ সালাম-বরকত হলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুল হাসান হিরণ ও সাংগঠনিক সম্পাদক মাহমুদুল হাসান রাকিব; জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হলের সভাপতি মেহেদী হাসান ইমনসহ ৪ জন; নবাব সলিমুল্লাহ হলের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ আহমেদ রিমনসহ ২ জন; শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ হলের ২ জন; শহীদ রফিক-জব্বার হলের ৩ জন; মীর মশাররফ হোসেন হলের সভাপতি শেখ সাদী হাসানসহ ৩ জন; শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক হলের ৩ জন; আ ফ ম কামাল উদ্দীন হলের সভাপতিসহ ৫ জন এবং বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের ২ জন নেতা।

বিজ্ঞপ্তিতে নেতৃবৃন্দের অনুপস্থিতিকে দায়িত্বহীনতা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এতে বলা হয়, “এ ধরনের দায়িত্বহীন আচরণ একজন দায়িত্বশীল নেতার ন্যূনতম সাংগঠনিক দায়বদ্ধতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করে।”

শোকজপ্রাপ্ত নেতাদের আগামী দুই (২) কার্যদিবসের মধ্যে তাদের অনুপস্থিতির সুস্পষ্ট ও যুক্তিসঙ্গত কারণ লিখিতভাবে জাবি ছাত্রদলের দপ্তর ও সহ-দপ্তর সম্পাদকের কাছে ব্যাখ্যা প্রদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।