শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩

পাবনা প্রতিনিধি

প্রকাশিত: ১৯:৪৫, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পাবিপ্রবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ পালন

পাবিপ্রবিতে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ পালন
ছবিঃ প্রতিনিধি

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আজ শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) “এমপাওয়ারিং ফার্মাসিস্টস ফর হেলদিয়ার ফিউচারস” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস-২০২৬ পালন করা হয়েছে।

এ উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৯ টায় এক আনন্দ র‌্যালি বের করা হয়। ফার্মেসি বিভাগ এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসির সহযোগিতায় দিনব্যাপী নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: শামীম আহসান এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পিএলসি পাবনা ইউনিটের মানবসম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মো: ফয়সাল ইকবাল। 

কি-নোট স্পিকার ছিলেন স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস পাবনা ইউনিটের রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র ম্যানেজার মো: মুস্তাফিজুর রহমান এবং আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন ম্যানেজার মো: জাহাঙ্গীর আলম খন্দকার। আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মো: রাশেদুল হক, বিভাগের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থী।  সভাপতিত্ব করেন বিজ্ঞান অনুষদের ডিন ও ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো: শামীম রেজা। 

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবুল হাসনাত মোহা. শামীম বলেন, “আমাদের নলেজকে কাজে লাগাতে হবে। শিল্প ও শিক্ষার সাথে মেলবন্ধন বাড়াতে হবে। আমরা এ নিয়ে কাজও করছি। শিল্প ও শিক্ষার সাথে (সমঝোতা স্মারক) এমওইউ করে শুধু কাগজে-কলমে না রেখে এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে। দুই পক্ষ একসাথে কাজ করতে হবে। আমরা চাইলে এখান থেকেই একটি নতুন যাত্রা শুরু করতে পারি। বিশ্ববিদ্যালয়কে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে হবে। তিনি স্কয়ারের কাছে বিভাগের জন্য ফান্ডের কথা বলেন।  শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। তোমাদের দায়িত্বশীল হতে হবে। পড়াশোনার পাশাপাশি দক্ষ হতে হবে। 

ফার্মেসি বিভাগের ল্যাবসমূহকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সজ্জিত করা হবে। চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় আধুনিক কারিকুলাম ও আন্তর্জাতিক ক্রেডিট ট্রান্সফার নিশ্চিতকরণে কাজ করা হবে। আমাদের লক্ষ্য হলো পাবিপ্রবির ফার্মেসী বিভাগকে একটি আন্তর্জাতিক মানের অ্যাকাডেমিক ও রিসার্চ সেন্টারে পরিণত করা। যেখানে নতুন ওষুধ আবিষ্কারের গবেষণা হবে, নিরাপদ ওষুধ ব্যবহারের নির্দেশিকা তৈরি হবে। এবং আমাদের গ্র্যাজুয়েটরা বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে নিজেদের যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখতে পারবে।”

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো: শামীম আহসান বলেন, “বাংলাদেশ থেকে ১৫০ টি দেশে ঔষধ রপ্তানি হচ্ছে। ৯৮ ভাগ ঔষধ উৎপাদন করছি আমরা। সামনে আমাদের চ্যালেঞ্জও আছে। আমরা স্বল্পন্নত দেশে প্রবেশ করলে সেক্ষেত্রে সুবিধা কমে যাবে। নিজস্ব ইনভেনশনে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করতে হবে। ঔষধ নিয়ে রিসার্চ করতে হবে।”

স্কয়ারের কর্মকর্তারা বলেন, “আমাদের নলেজ, দক্ষতা এবং মানবিক স্কিল থাকতে হবে। দায়িত্ব নিতে হবে। নলেজকে বাস্তবে প্রয়োগ করতে হবে। এ আই কে সারভেন্ট হিসাবে কাজে লাগানো। এবং এর উপর নিভর্রশীল হওয়া যাবে না। ডাক্তারের পরামর্শে ঔষধ খেতে হবে। নিয়ম করে ঔষধ সেবন করতে হবে। ডাক্তার দিনে ৩ বার ঔষধ দিলে ঠিক প্রতি ৮ ঘণ্টা পর পর সেবন করতে হবে।” বিশ্ববিদ্যালয়ের কনভেনশন ভবনে অনুষ্ঠানটি হয়েছে। সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

জনপ্রিয়