সহশিল্পীকে মেরে রক্তাক্ত করার অভিযোগ তিশার বিরুদ্ধে
সহশিল্পীকে মারধরের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশার বিরুদ্ধে। নির্মাতা রাফাত মজুমদার রিংকুর নতুন নাটকের শুটিং সেটে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযোগ অনুযায়ী, মানিকগঞ্জে দৃশ্য ধারণের সময় অভিনেত্রী সামিয়া অথৈকে সজোরে চড় ও খামচি দিয়ে রক্তাক্ত করেন তিশা। মঙ্গলবার বিকেলে এক ফেসবুক লাইভে এসে এমনটা জানান সামিয়া অথৈ।
জানা গেছে, একটি উপহারকে কেন্দ্র করেই ঘটনার সূত্রপাত। তানজিন তিশার নতুন সিনেমার খবরে আনন্দিত হয়ে ঢাকা থেকে একটি উপহার নিয়ে শুটিং স্পটে যান সামিয়া অথৈ। তিশা সেই উপহার গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। এতে অথৈ বিব্রত হয়ে নীরব থাকেন।
মূল ঘটনা ঘটে গত ২ মার্চ, অথৈয়ের প্রথম দৃশ্যের শুটিংয়ের সময়। অভিযোগ অনুযায়ী, দৃশ্য ধারণ চলাকালে তানজিন তিশা স্ক্রিপ্টের বাইরে গিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবে অথৈকে খামচি দেন, এতে তাঁর হাত ছুলে রক্ত বের হয়। ঘটনাটি সবার সামনেই ঘটে।
অথৈ দাবি করেছেন, অপমানজনক ও যন্ত্রণাদায়ক পরিস্থিতি সত্ত্বেও তিনি তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ করেননি।
শুটিং মনিটরে বসে পুরো দৃশ্যটি দেখছিলেন শহিদুজ্জামান সেলিম ও পরিচালক রিংকু। অপ্রত্যাশিত ঘটনায় সেলিম বিস্ময় প্রকাশ করে অথৈয়ের কাছে জানতে চান, আগে থেকে তাঁদের মধ্যে কোনো বিরোধ ছিল কি না। তখনই অথৈ নাকি তিশার অতীত একটি হুমকির প্রসঙ্গ তোলেন।
অথৈয়ের দাবি, এর আগে অভিনেতা মুশফিক আর ফারহানের সঙ্গে কাজ করার সময় তানজিন তিশা তাঁকে ফোন করে হুমকি দেন। শুধু তাঁকেই নয়, অভিনেত্রী কেয়া পায়েলসহ আরো কয়েকজনকে ফারহানের সঙ্গে কাজ না করার জন্য সতর্ক করেন বলেও অভিযোগ।
কারণ জানতে চাইলে তিশা নাকি দাবি করেন, ফারহান তাঁর ‘জামাই’।
ঘটনার পর অথৈ বিষয়টি ফারহানকে জানান এবং পরে তাঁর সঙ্গে আর কাজ করেননি।
অথৈয়ের অভিযোগ, সেই পুরনো ক্ষোভ থেকেই শুটিংয়ের সুযোগ নিয়ে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়েছে।



























