বৃহস্পতিবার ২৭ আগস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:১৮, ২৬ আগস্ট ২০২৬

নেপালে ‘কল্পনাতীত’ ক্ষয়ক্ষতি, নিহত বেড়ে ৯৫

নেপালে ‘কল্পনাতীত’ ক্ষয়ক্ষতি, নিহত বেড়ে ৯৫
ছবি: সংগৃহীত

নেপাল ও তিব্বত সীমান্তসংলগ্ন হিমালয় অঞ্চলে আকস্মিক তুষারধস ও প্রবল বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯৫ জনে দাঁড়িয়েছে। এ ঘটনায় ব্যাপক অবকাঠামোগত ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ‘কল্পনার অতীত’।

বুধবার (২৬ আগস্ট) স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ৮টার দিকে নেপালের রাজধানী কাঠমাণ্ডুর উত্তরে রসুয়া জেলায় তুষারধসের পর আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এতে গ্রামগুলো প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি রাস্তাঘাট, সেতু ও বেশ কয়েকটি বিদ্যুৎ প্রকল্প ধ্বংস হয়ে গেছে। দুর্ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভয়াবহ এই দুর্যোগে অন্তত ৯৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া ৩৮৪ জন পর্যটক নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক হালনাগাদ তথ্যে নেপাল ট্যুরিজম বোর্ড জানায়, নিখোঁজ পর্যটকদের মধ্যে ২৯১ জন বিদেশি নাগরিক এবং ৯৩ জন নেপালি নাগরিক। তাঁদের মধ্যে যুক্তরাজ্যের ১২ জন নাগরিক রয়েছেন।

এক বিবৃতিতে পর্যটন বোর্ড জানিয়েছে, সীমান্তের উভয় পাশে জোরদার অনুসন্ধান ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় অবস্থানরত কিংবা ওই অঞ্চল দিয়ে ভ্রমণরত পর্যটকদের নিরাপত্তা ও অবস্থান নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কাজ করছে।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশির খানাল জানান, ভূমিকম্পের পর তুষারধস শুরু হয় এবং এর ফলে আকস্মিক বন্যার সৃষ্টি হয়। তবে ঘটনার কারণসহ প্রাথমিক তথ্যগুলো এখনো যাচাই করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

তিনি আরও জানান, নেপালের পাশাপাশি প্রতিবেশী চীনও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে।

একজন মুখপাত্র বলেছেন, ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা ‘কল্পনার অতীত’। ২০১৫ সালের ভয়াবহ ভূমিকম্পের পর এটি নেপালের সবচেয়ে বড় দুর্যোগগুলোর একটি। ২০১৫ সালের ওই ভূমিকম্পে প্রায় ৯ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।

সূত্র: বিবিসি

সম্পর্কিত বিষয়:

জনপ্রিয়