শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:৩৮, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

আলোচিত রিয়াদ হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে

আলোচিত রিয়াদ হত্যাচেষ্টা মামলায় কারাগারে
ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক নেতা ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী আব্দুর রাজ্জাক বিন সোলাইমান রিয়াদ হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন।

তার সঙ্গে একই প্রতিষ্ঠানের মো. রিয়াদুল হাওলাদার, মো. আলিফ আহম্মেদ আশিক, সায়েম শিকদার গ্রেফতার হন। 

শুক্রবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের হাজির করা হয়েছে। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও গুলশান থানার উপপরিদর্শক আরমান আলী তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

পরে তাদের কারাগারে পাঠানো আদেশ দেন ঢাকার মহানগর হাকিম দিলরুবা আফরোজ তিথি।

এদিন আসামিদের আদালতে হাজির করে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই আরমান আলী। আসামিদের পক্ষে এসএম জাকির হোসেনসহ কয়েকজন জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মোক্তার হোসেন জানান, জামিন শুনানির জন্য রোববার দিন রাখা হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ।

প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী নির্জন সরদার বাঁধন বাদী হয়ে রাজ্জাকসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। এতে অজ্ঞাতনামা ১০/২২ জনকে আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, আসামিদের সঙ্গে নির্জন ও তার বন্ধুদের পূর্ব শত্রুতা ছিল। বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটির চতুর্থ তলায় ৪১২ নম্বর কক্ষে সাক্ষাৎ হলে আসামিরা তাকে (নির্জন) সমাবর্তনে অংশগ্রহণের জন্য বলেন। বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আনিসুর রহমানের সঙ্গে পরামর্শ করার সময়ে রাজ্জাকের হুকুমে আসামি রিয়াদুল ও সায়েম চেয়ার দিয়ে তাকে আঘাত করেন। এতে তিনি পিঠে ও বুকে আঘাত পান।

এজাহারে বলা হয়, রাজ্জাক সুইচ গিয়ার চাকু দিয়ে নির্জনকে হত্যার উদ্দেশ্যে মুখমন্ডলে আঘাত করে। এতে তার নাকে লেগে উপরিভাগ কেটে গুরুতর জখম হয়। এ সময় তাকে এলোপাথারি মারধর করা হয়। তখন তার বন্ধুবান্ধব ও প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি শিক্ষকরা এগিয়ে এলে আসামিরা নির্জনকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি ও হুমকি দেয়। পরে গুলশান থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করে নিয়ে যায়।

এর আগে গত বছরের ২৬ জুলাই গুলশানে সাবেক সংসদ সদস্য শাম্মী আহমেদের বাসায় চাঁদা দাবির মামলা গ্রেফতার হয়েছিলেন রাজ্জাক। ওই মামলায় জামিনে কারামুক্ত হয়ে তিনি হত্যাচেষ্টা মামলায় নাম জড়ালেন।

সর্বশেষ