চতুর্থ দিনে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আরও ৫৩ জন
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে চতুর্থ দিনে আরও ৫৩টি আপিল মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এতে ৫৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ আজ বাসস’কে একথা জানিয়েছেন।
আখতার আহমেদ জানান, রিটার্নিং অফিসারের মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের আদেশের বিরুদ্ধে চতুর্থ দিনে মোট ৭০টি আপিল শুনানি হয়েছে। এর মধ্যে ৫৩টি আপিল মঞ্জুর করা হয়েছে। এছাড়া ১৭ টি আপিল না মঞ্জুর করা হয়েছে।
ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, সব মিলে গত ৪ দিনে আপিলের শুনানি শেষে ২০৩ জন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন।
এরআগে সোমবার ৪১টি আপিল আবেদন মঞ্জুর করে ইসি। আপিল শুনানিতে ২৪টি আবেদন না-মঞ্জুর হয়েছে এবং ৪টি আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়েছে। পাবনা-২ আসনে নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় ১৬১/২০২৬ নম্বর আপিল আবেদনের শুনানি হয়নি। চট্টগ্রাম-৫ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাকিলা ফারজানা তাঁর দায়েরকৃত ১৫৭/২০২৬ নম্বর আপিল আবেদনটি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।
গত রোববার ৫৮টি আপিল আবেদন মঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। অপর সাতটি আবেদন না-মঞ্জুর হয় এবং ছয়টি আবেদন অপেক্ষমাণ রাখা হয়।
শনিবার প্রথম দিনে ৭০টি আপিলের মধ্যে অনুমোদিত বা মঞ্জুর করা হয়েছে ৫২টি আপিল। নামঞ্জুর করা হয়েছে ১৫টি আপিল। এর মধ্যে একজন প্রার্থীর প্রার্থিতা গ্রহণের বিরুদ্ধে আপিল মঞ্জুর হয়।
আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁও নির্বাচন কমিশন ভবনের অডিটোরিয়ামে (বেইজমেন্ট-২) সকাল ১০টা থেকে আপিলের শুনানি শুরু হয়। দুপুরে এক ঘণ্টা বিরতি দিয়ে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আপিল শুনানি গ্রহণ করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে ফুল কমিশন।
মঙ্গলবার ২১১ থেকে ২৮০ নম্বর আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হয়।
ইসি’র পরিচালক (জনসংযোগ) ও তথ্য প্রদানকারী কর্মকর্তা মো. রুহুল আমিন মল্লিক বাসস’কে জানান, গত শনিবার সকাল ১০টা থেকে নির্বাচন কমিশনে আপিল শুনানি শুরু হয়ে চলবে আগামী ১৮ জানুয়ারি পর্যন্ত।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাছাইয়ে রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে মোট ৬৪৫টি আপিল আবেদন দায়ের করা হয়।
গত ৪ জানুয়ারি বাছাইয়ের শেষ দিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩শ’ নির্বাচনী এলাকায় রিটার্নিং কর্মকর্তা বা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মোট ২ হাজার ৫৬৮টি মনোনয়নপত্রের মধ্যে ১ হাজার ৮৪২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ এবং ৭২৩ জনের প্রার্থিতা বাতিল ঘোষণা করেন।



























