মেধার প্রকৃত ও নির্মোহ মূল্যায়ন নিশ্চিত করা হয়েছে : মাহদী আমিন
কৃত্রিমভাবে পাসের হার ও জিপিএ-৫ বাড়িয়ে দেখানোর প্রচলিত ধারা থেকে বেরিয়ে এসে এবারের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন।
শনিবার সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
অনুষ্ঠানে পরীক্ষার ফলাফলের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
তিনি জানান, এক বা দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মূল্যবান শিক্ষাবর্ষ রক্ষায় এক মাসের মধ্যে পুনরায় পরীক্ষার আয়োজন এবং এসএসসি পরীক্ষার আদলে পূর্ণাঙ্গ উত্তরপত্র পুনঃনিরীক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
পরীক্ষার পরিবেশ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি তুলে ধরে মাহদী আমিন বলেন, বর্তমান নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর শিক্ষামন্ত্রীর প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করা হয়েছে। পাশাপাশি পরীক্ষাকেন্দ্রগুলোতে সিসিটিভির আওতা বাড়ানো ও ক্যামেরার ব্যবহার নিশ্চিত করায় আনন্দমুখর ও ইতিবাচক পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।
উত্তরপত্র মূল্যায়নের বিষয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট নির্দেশনায় খাতা মূল্যায়নে শতভাগ নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা হয়েছে। পাসের হার কিংবা জিপিএ-৫ কৃত্রিমভাবে বাড়িয়ে দেখানোর সংস্কৃতি পরিহার করে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার মূল্যায়ন এবং প্রশ্নপত্রের মান বজায় রেখে সততার সঙ্গে উত্তরপত্র যাচাইয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।



























