রোববার ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৯ মাঘ ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ২০:১২, ৩১ জানুয়ারি ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষ

চৌদ্দগ্রামে জামায়াত–বিএনপি সংঘর্ষ
ছবি: সংগৃহীত

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নির্বাচনী জনসভা শেষে ফেরার পথে জামায়াত-শিবির ও বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে শিবির সভাপতিসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দুপুরে উপজেলার জগন্নাথ ইউনিয়নের হাটবাইর গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে জামায়াত-শিবির পক্ষের রয়েছেন—চৌদ্দগ্রাম উপজেলা দক্ষিণ শিবির সভাপতি রিফাত সানি, জামায়াত কর্মী রাসেল, রবিউল হোসেন রকি ও রাসেল।
অন্যদিকে বিএনপি পক্ষের আহতরা হলেন—উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি সোলাইমান চৌধুরী, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মিজান খান, মামুন, নাজমা বেগম ও নার্গিস।

স্থানীয় সূত্র জানায়, চৌদ্দগ্রাম এইচ জে সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জামায়াত-শিবিরের জনসভা শেষে নেতাকর্মীরা পিকআপ ভ্যানে করে বাড়ি ফিরছিলেন। পথে হাটবাইর গ্রামে পৌঁছালে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিজান খান, গাজী ইয়াছিন ও মোবারক চৌধুরীর নেতৃত্বে বিএনপির নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের বাগ্‌বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়।

পরে স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে চৌদ্দগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন।

এ বিষয়ে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মু. বেলাল হোসাইন বলেন, “জনসভা শেষে ফেরার পথে আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয়েছে। পাশাপাশি গুলিও করা হয়েছে। এতে শিবিরের উপজেলা সভাপতি রিফাত সানিসহ চারজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।”

অন্যদিকে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী শাহ আলম রাজু বলেন, “চৌদ্দগ্রামে বিএনপি শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছে। জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরাই প্রথম হামলা চালায়। এতে বিএনপির অন্তত ১০ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। আমরাও মামলা করার প্রস্তুতি নিচ্ছি।”

চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু মাহমুদ কাওসার হোসেন বলেন, “খবর পেয়ে দ্রুত থানা পুলিশের একটি টিম ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিট পর্যন্ত উভয় পক্ষের কেউ লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”