বুধবার ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৫:১০, ২৮ অক্টোবর ২০২৬

আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধর

আইইডিসিআর পরিচালকের কক্ষে ঢুকে মারধর
ছবিঃ সংগৃহীত

রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকিকে তাঁর কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপিপন্থি চিকিৎসকদের সংগঠন ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) কর্মীদের বিরুদ্ধে। 

বুধবার (২৮ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

আইইডিসিআরের পরিচালক কাজী আহমেদ জাকি অভিযোগ করেন, ড্যাবের কর্মীরা দলবদ্ধভাবে তাঁর কার্যালয়ে প্রবেশ করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন এবং তাঁকে মারধর করেন। ঘটনার একটি ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, নিজের কক্ষে কয়েকজনের সঙ্গে বৈঠক করছিলেন তিনি। এ সময় ৮ থেকে ৯ জন ব্যক্তি কক্ষে প্রবেশ করে তাঁকে চেয়ার থেকে টেনে তুলে মারধর করেন। <Cite refs={["turn848394search0","turn848394search1"]}/>

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ড্যাবের সভাপতি অধ্যাপক হারুন আল রশিদ বলেন, ‘ওর (কাজী আহমেদ) ও তো কিছু দোষ আছে।’ কাজী আহমেদের কী দোষ—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি নিজের মুঠোফোনে থাকা একটি ছবি দেখিয়ে বর্তমান সরকারের সময়ে মীরজাদী সাবরিনা ফ্লোরার সঙ্গে তাঁর কার্যালয়ে বৈঠক করা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

জনস্বাস্থ্যবিদ মীরজাদী সাবরিনা ফ্লোরা আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে আইইডিসিআরের পরিচালকসহ স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। করোনাভাইরাস মহামারির সময় সংবাদমাধ্যমে নিয়মিত ব্রিফিংয়ের মাধ্যমে তিনি পরিচিতি পান। পরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

মারধরের সময় পরিচালকের কক্ষে উপস্থিত থাকা এক জনস্বাস্থ্যবিদ নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তিদের তিনি এর আগে আইইডিসিআরে দেখেননি।

জনস্বাস্থ্যবিদ ও আইইডিসিআরের সাবেক প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মুশতাক হোসেন এ ঘটনাকে অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে উল্লেখ করেছেন। তাঁর মতে, পরিচালকের নিজ কার্যালয়ে মারধরের ঘটনার তদন্ত করে দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

এ বিষয়ে অধ্যাপক কাজী আহমেদ জাকি বলেন, ‘আমি অফিসিয়ালি তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

আইইডিসিআর দেশের রোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, রোগ নিয়ে গবেষণা এবং জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি সম্পর্কে সতর্কবার্তা দেওয়ার দায়িত্ব পালন করে। এ ধরনের প্রতিষ্ঠানের কার্যালয়ে একজন কর্মকর্তার ওপর হামলার অভিযোগ সরকারি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ও কর্মপরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।

সম্পর্কিত বিষয়:

জনপ্রিয়