নিরাপত্তা চেয়ে আদালতে মিমি চক্রবর্তী
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পালাবদলের আবহে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছে অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ মিমি চক্রবর্তী এবং বিজেপি নেতা তনয় শাস্ত্রীর দ্বন্দ্ব। দীর্ঘদিনের এই বিরোধ এবার আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন মিমি, অন্যদিকে বিচার চাওয়ার পাশাপাশি অভিনেত্রীকে কড়া বার্তাও দিয়েছেন তনয়।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মিমি চক্রবর্তী। বিচারপতি কৌশিক চন্দের এজলাসে আগামী সোমবার এ মামলার শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। একই সময়ে তনয়ও আইনি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। মিমিকে উদ্দেশ্য করে হুঁশিয়ারিমূলক মন্তব্য করার পর অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে তাকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। পরবর্তীতে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আদালতের শরণাপন্ন হন মিমি।
মিমি ও তনয়ের বিরোধের সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। সেদিন বনগাঁর একটি অনুষ্ঠানে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারায় মঞ্চে ওঠার পরপরই অভিনেত্রীকে নামিয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। ঘটনার জেরে সংশ্লিষ্ট ক্লাবের কর্মকর্তা তনয় শাস্ত্রীর বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন মিমি।
অভিযোগের ভিত্তিতে তনয়কে গ্রেফতার করতে গেলে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত তাকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। ৩০ জানুয়ারি আদালতে হাজির করা হলে পুলিশের পক্ষ থেকে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। পরে বিচারক চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
পরবর্তীতে ১২ ফেব্রুয়ারি জামিনে মুক্তি পান তনয় শাস্ত্রী। জেল থেকে বেরিয়েই মিমি চক্রবর্তীর বিরুদ্ধে ২০ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি করে মানহানির মামলা করেন তিনি। তনয়ের পক্ষের আইনজীবীর দাবি, একাধিক তারিখে আদালতে হাজির হননি মিমি। এ অভিযোগ তুলে চার্জশিট গঠনের আবেদনও করা হয়েছে আদালতে। এমন পরিস্থিতির মধ্যেই নিরাপত্তা চেয়ে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিনেত্রী।



























