সংরক্ষিত নারী আসনে আলোচনায় ফাহমিদা মজিদ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করার পর এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন। ৫০টি সংরক্ষিত আসনের মধ্যে আনুপাতিক হারে বিএনপি পেতে যাচ্ছে ৩৫টি আসন।
এই দৌড়ে সাংগঠনিক দক্ষতা ও রাজপথের সক্রিয়তার কারণে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে জোরালো আলোচনায় উঠে এসেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সাবেক ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর একজন উচ্চশিক্ষিত, মেধাবী ছাত্রনেত্রী (পিএইচডি অধ্যয়নরত) ফাহমিদা মজিদ।
ফাহমিদা মজিদ দীর্ঘ আন্দোলন–সংগ্রামের রাজপথে পরীক্ষিত এক সাহসী নেতৃত্বের নাম। ছাত্ররাজনীতি থেকে শুরু করে মানুষের অধিকার আদায়ে দলের প্রতিটি আন্দোলনে তার ছিল সক্রিয়, দৃঢ় ও আপসহীন ভূমিকা। প্রায় অর্ধশতাধিক রাজনৈতিক মামলা মাথায় নিয়েও তিনি নির্ভীকভাবে রাজপথে আন্দোলন চালিয়ে গেছেন।
বিশেষ করে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া-র বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলার হাজিরার সময় গাড়িবহরে পুলিশের শত বাধা উপেক্ষা করে তিনি সবসময় উপস্থিত থেকেছেন—দল ও নেত্রীর প্রতি অবিচল আনুগত্য ও সাহসিকতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। হরতাল, অবরোধসহ যেকোনো কর্মসূচিতে তিনি ছিলেন সম্মুখ সারির কর্মী।
তিনি ঢাকা সিটি কর্পোরেশন-এর সাবেক কাউন্সিলর ও ভারপ্রাপ্ত মেয়র জনাব এম. এ. মজিদ সাহেবের কন্যা। রাজনৈতিক আদর্শ, সততা ও জনসেবার চেতনা তিনি পারিবারিকভাবেই লালন করেছেন এবং বাস্তব রাজনীতির মাঠে তার প্রমাণ রেখেছেন।
বর্তমানে নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান-এর দিকনির্দেশনায় একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন—এটাই প্রত্যাশা।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সম্ভাব্যপ্রার্থী ফাহমিদা মজিদ বলেন, দলের দুর্দিনে নানা মেরুকরন হয়েছে। কিন্তু আমার একমাত্র ঠিকানা ছিলো বিএনপি ও জিয়া পরিবার। দলের জন্য কখনো কোথাও আপোষ করিনি। নারী জাগরনের অগ্রদূত সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে আন্দোলন করেছি। পরে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বেও আন্দোলন সংগ্রাম করেছি। তাই সংরক্ষিত নারী এমপি প্রার্থী হিসেবে দলের কাছে মনোনয়ন আশা করি। আমার বিশ্বাস দল আমাকে চূড়ান্ত প্রাথী হিসেবে মনোনীত করবেন।



























