শনিবার ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১৫ ফাল্গুন ১৪৩২

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১:৩৫, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬

রমজানে দাম কমেছে লেবু, শসা ও কাঁচামরিচের

রমজানে দাম কমেছে লেবু, শসা ও কাঁচামরিচের
ছবি: সংগৃহীত

রমজানের শুরুতে রাজধানীর বাজারে লেবুর দাম নিয়ে ক্রেতাদের হাঁসফাঁসের পরিস্থিতি দেখা গেছে। তবে কয়েক দিনের ব্যবধানে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, এখন লেবু ১০ থেকে ১৫ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। রোজার শুরুতে এই দাম ছিল প্রায় তিনগুণ।

শুধু লেবুই নয়, শসার দামও কমেছে। কয়েক দিন আগেও যেখানে প্রতি কেজি শসা ৭০–৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছিল, এখন তা কমে ৫০–৬০ টাকায় নেমেছে। কাঁচামরিচের ক্ষেত্রেও কিছুটা ছাড় মিলেছে। মানভেদে বর্তমানে কেজিপ্রতি ১২০–১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা আগে ১৮০–২০০ টাকার মধ্যে থাকত।

বাজারে মাঝারি মানের এক হালি লেবু এখন ৫০–৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের লেবু ৮০–১০০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। রোজা শুরুর আগে এই মানের লেবু ১০০–১৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সে সময় এক ডজন ডিম বা এক কেজির বেশি ছোলা বা চিনি কেনা যেত একই দামে।

বিক্রেতারা জানান, রমজানের প্রথম দিকে শরবতের চাহিদা বেশি থাকায় লেবুর বিক্রি বেড়ে যায়, ফলে দামও বেড়ে যায়। তবে দিন যত গড়াচ্ছে, চাহিদার চাপ কমায় দামও ধীরে ধীরে নেমে আসছে। 

মালিবাগ বাজারের এক বিক্রেতা বলেন, শুরুতে দাম নিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে তেমন দরকষাকষি হয় না, কিন্তু এখন আগের মতো আগ্রহ না থাকায় দামও কমেছে।

অন্যদিকে, ইফতারের জনপ্রিয় পদ ‘বেগুনি’-র প্রধান উপকরণ বেগুনের বাজার এখনও অস্থির। রোজার শুরুতে কেজিপ্রতি ৮০–১০০ টাকায় বিক্রি হওয়া লম্বা বেগুন বর্তমানে ১০০–১২০ টাকায় উঠেছে। মাঝে সামান্য কমলেও আবার ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে। সবজি ব্যবসায়ীরা বলছেন, রমজানজুড়ে চাহিদা বাড়ায় বেগুনের দাম প্রায়ই চড়া থাকে।

ক্রেতারা অভিযোগ করেন, রমজান এলেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যে বাড়তি চাপ দেখা যায়। পাইকারি থেকে খুচরা—সব স্তরেই অতিরিক্ত লাভের প্রবণতার কারণে শেষ পর্যন্ত ভোক্তাদেরই বেশি দাম গুনতে হয়।