বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩

আর্ন্তজাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ২২:২৫, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে নিচে বাংলাদেশ

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সে দক্ষিণ এশিয়ায় সবচেয়ে নিচে বাংলাদেশ
গ্রাফিক্স

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ দক্ষিণ এশিয়ার ছয় দেশের মধ্যে সবচেয়ে নিচে নেমে গেছে বাংলাদেশ। ১৩৯টি অর্থনীতির তালিকায় ২১ দশমিক ৫ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ১০৫তম। গতবারের তুলনায় নেপাল এক ধাপ এগিয়ে ১০৪তম অবস্থানে থাকায় আঞ্চলিক তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান আরও নিচে নেমেছে।

জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি অর্গানাইজেশন মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ‘পাওয়ারিং এন্টারপ্রেনারস অ্যাট দ্য ফ্রন্টিয়ার অব সায়েন্স’ শিরোনামে গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সের ১৯তম সংস্করণ প্রকাশ করেছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় ৪০ দশমিক ১ স্কোর নিয়ে ৩৮তম অবস্থানে রয়েছে ভারত। এরপর ভুটান ৭৪তম, শ্রীলঙ্কা ৯৪তম, পাকিস্তান ৯৫তম এবং নেপাল ১০৪তম অবস্থানে রয়েছে।

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্সের সূচক অনুযায়ী, ইনোভেশন ইনপুটের তুলনায় আউটপুটে বাংলাদেশের অবস্থান কিছুটা ভালো। ইনোভেশন আউটপুটে বাংলাদেশের অবস্থান ৯২তম হলেও ইনপুটে ১১৫তম।

ইনপুটের পাঁচটি স্তম্ভের মধ্যে অবকাঠামোয় বাংলাদেশের অবস্থান ৮৪তম এবং বাজার সক্ষমতায় ৯৮তম। তবে মানবসম্পদ ও গবেষণায় ১২৭তম, ব্যবসায়িক সক্ষমতায় ১২৫তম এবং প্রতিষ্ঠানে ১১৩তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ।

আউটপুটের দুটি স্তম্ভের মধ্যে জ্ঞান ও প্রযুক্তি উৎপাদনে বাংলাদেশ ৯৫তম এবং সৃজনশীল উৎপাদনে ৮৭তম অবস্থানে রয়েছে।

জ্ঞান হাব ইনস্টিটিউটের সভাপতি খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, উদ্ভাবনে এগোতে হলে বাংলাদেশকে আগে জ্ঞান, মানবসম্পদ, অবকাঠামো, জ্বালানি, প্রতিষ্ঠান ও প্রণোদনাসহ প্রয়োজনীয় ভিত্তি তৈরি করতে হবে। তার মতে, শুরুতেই নতুন উদ্ভাবন তৈরির বদলে অন্য দেশের উদ্ভাবন স্থানীয় প্রয়োজন অনুযায়ী মানিয়ে নেওয়ার দিকে গুরুত্ব দেওয়া যেতে পারে।

গ্লোবাল ইনোভেশন ইনডেক্স ২০২৬-এ ৬৬ দশমিক ৭ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে সুইজারল্যান্ড। এরপর রয়েছে সুইডেন, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ কোরিয়া ও সিঙ্গাপুর। ৫৭ স্কোর নিয়ে দশম অবস্থানে রয়েছে চীন।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়