শনিবার ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৯:৫৩, ৩ অক্টোবর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে না : ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা দেবে না : ট্রাম্প
ছবি: সংগৃহীত

ইউরোপের কয়েকটি দেশ নিজেদের মজুত থেকে ডিজেল বাজারে ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রও ডিজেল রপ্তানি বন্ধ না করার সিদ্ধান্ত জানিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার বিষয়টি এখন আর বিবেচনায় নেই।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শুক্রবার হোয়াইট হাউসে এএফপির এক প্রতিবেদকের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করছে না। তার ভাষ্য, বিষয়টি আসলে কখনোই আলোচনার পর্যায়ে ছিল না। তবে ইউরোপের নেওয়া পদক্ষেপকে তিনি ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আসলে বিষয়টি কখনোই আলোচনায় ছিল না। তবে ইউরোপ যে পদক্ষেপ নিয়েছে, তা খুবই ভালো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে অনুরোধ করেছিলাম। ইউরোপের কাছে প্রচুর ডিজেল রয়েছে এবং তারা বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অবদান রাখবে—আমরাও রাখব।’

ট্রাম্প স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা ডিজেল রপ্তানি বন্ধ করছি না। যা করা উচিত, আমরা সেটিই করব।’

এর আগে গত ২২ সেপ্টেম্বর প্রথমবারের মতো যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করার পক্ষে মত দিয়েছিলেন ট্রাম্প। এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হলে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বাজারে ডিজেলের দাম কমতে পারত। তবে এর ফলে বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল।

এমনকি বৃহস্পতিবারও ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, তার প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ডিজেল রপ্তানি বন্ধের বিষয়টি বিবেচনা করছে। একই সময়ে ইউরোপীয় দেশগুলোর ওপর তাদের মজুত থেকে জ্বালানি বাজারে ছাড়ার জন্য চাপ দিয়ে আসছিল তার প্রশাসন।

এর মধ্যেই শুক্রবার জি-৭ভুক্ত দেশগুলো আগামী চার মাসে নিজেদের মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল ডিজেল ও অপরিশোধিত তেল বাজারে ছাড়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা কমাতেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এদিকে আগামী মাসে যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এর আগে ইরান যুদ্ধ এবং এর প্রভাবে জ্বালানির দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোটারদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্পের রিপাবলিকান পার্টির জন্য কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখা নিয়ে ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

সম্পর্কিত বিষয়:

সর্বশেষ

জনপ্রিয়