লিভারপুল শিবিরে স্বস্তি ফেরালেন ইসাক
লিভারপুলে যোগ দেওয়ার পর চোট ও ফিটনেস সমস্যায় নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী খেলতে পারেননি আলেক্সান্ডার ইসাক। তবে নতুন মৌসুমে গোলের ধারায় ফিরেছেন সুইডিশ এই স্ট্রাইকার। তার এমন প্রত্যাবর্তনে নতুন করে আলোচনায় এসেছে আর্সেনালের পুরোনো আগ্রহ। ইসাককে দলে নেওয়ার সুযোগ থাকলেও সে সময় তাকে ছাড়াই দল সাজানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল লন্ডনের ক্লাবটি।
নিউক্যাসল ইউনাইটেডের হয়ে ২০২৩-২৪ মৌসুমে ৩০ ম্যাচে ২১ গোল করেছিলেন ইসাক। তার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স নজর কেড়েছিল আর্সেনালেরও। ২০২৫ সালে লিভারপুলের সঙ্গে নিউক্যাসলের দর-কষাকষির সময় অবশ্য ইসাককে পাওয়ার দৌড়ে যোগ দেয়নি তারা। একজন খেলোয়াড়ের পেছনে বিপুল অর্থ ব্যয় করার বদলে একাধিক পজিশনে দলকে শক্তিশালী করার কৌশল বেছে নিয়েছিল আর্সেনাল।
লিভারপুলে আসার পর থেকেই চোটের সঙ্গে লড়তে হয়েছে ইসাককে। গত মৌসুমে টটেনহামের বিপক্ষে ম্যাচে পায়ের হাড় ভেঙে যাওয়ায় দীর্ঘ সময় মাঠের বাইরে থাকতে হয় তাকে। পুরোপুরি ফিট হতে না পারায় প্রিমিয়ার লিগে ১৪ ম্যাচ খেলে তার গোলসংখ্যা ছিল মাত্র তিন।
তবে নতুন মৌসুমে বদলে গেছে চিত্র। ২৭ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড ফিরেছেন নিজের পরিচিত ছন্দে। নটিংহাম ফরেস্টের বিপক্ষে গোল দিয়ে মৌসুম শুরু করেন তিনি। এরপর ইপসউইচের বিপক্ষে করেন জোড়া গোল। বোর্নমাউথ, ব্রেন্টফোর্ড ও ব্রাইটনের বিপক্ষেও জালের দেখা পেয়েছেন ইসাক। সাত লিগ ম্যাচে তার নামের পাশে এখন ছয় গোল।
তবে লিভারপুল কোচ আন্দোনি ইরাওলার প্রত্যাশা, ইসাকের অবদান যেন শুধু গোল করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ না থাকে। আক্রমণ গড়ে তোলা, সতীর্থদের জন্য সুযোগ তৈরি করা এবং দলের সম্মিলিত খেলায় কার্যকর ভূমিকা রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দিচ্ছেন তিনি।
ইসাকের ফিনিশিং দক্ষতা নিয়ে কোচের কোনো সংশয় নেই। তবে নিউক্যাসল ইউনাইটেডে আক্রমণের বিভিন্ন দিক সামলে যেভাবে নিজেকে কার্যকর প্রমাণ করেছিলেন, লিভারপুলেও সেই অবস্থানে পৌঁছাতে তাকে আরও উন্নতি করতে হবে।
এদিকে আর্সেনালের নতুন স্ট্রাইকার ভিক্টর গিওকেরেস এখনো প্রত্যাশা অনুযায়ী পারফর্ম করতে পারেননি। গোলের সুযোগ কাজে লাগানোর ক্ষেত্রে তার সীমাবদ্ধতা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। এমন পরিস্থিতিতে ইসাকের মতো সুযোগ কাজে লাগাতে দক্ষ একজন স্ট্রাইকার আর্সেনালের আক্রমণভাগে বড় পার্থক্য গড়ে দিতে পারতেন।



























