শনিবার ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩

সংবাদ পরিক্রমা ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮:১৩, ৭ নভেম্বর ২০২৬

পাকিস্তানে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত

পাকিস্তানে বাংলাদেশ হাইকমিশনে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপিত
ছবিঃ সংগৃহীত

যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অবস্থিত বাংলাদেশ হাইকমিশনে ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উদযাপন করা হয়েছে।

শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে হাইকমিশন প্রাঙ্গণে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের উপস্থিতিতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। পাকিস্তানে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এ সময় উপস্থিত সবাই সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।

পরে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে আলোচনা সভা শুরু হয়। দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয়। পাশাপাশি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।

আলোচনা সভায় বক্তারা বাংলাদেশের আর্থসামাজিক, ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় ঐক্য সুসংহত রাখতে ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লবের চেতনা মনে-প্রাণে ধারণ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান উপস্থিত সবাইকে স্বাগত জানিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় জীবনে ৭ নভেম্বরের বিপ্লব ও সংহতি দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। তিনি দেশকে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি থেকে মুক্তি দেন এবং বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তিতে জাতিকে উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নেন। জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেন এবং সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি ৭ নভেম্বরের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, সুখী, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গঠনে সবাইকে নিষ্ঠার সঙ্গে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করার আহ্বান জানান।

আলোচনা শেষে দেশের অব্যাহত শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

সর্বশেষ

জনপ্রিয়