পুজোর কয়েকটা দিনের প্রেম দারুণ লাগত : কৌশানি
দুর্গাপূজার আগমনী বার্তা ইতোমধ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে। হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় এই উৎসব ঘিরে শুরু হয়েছে নানা প্রস্তুতি। পূজা মানেই যেমন উৎসব-আনন্দ, তেমনি শৈশব-কৈশোরের অসংখ্য স্মৃতিও ফিরে আসে মানুষের মনে। বড় হয়ে গেলেও সেই পুরোনো দিনের পূজার স্মৃতি অনেকের কাছেই হয়ে ওঠে বিশেষ আবেগের।
টলিউড অভিনেত্রী কৌশানি মুখার্জির কাছেও পূজা মানেই তেমনই কিছু মধুর স্মৃতি। অভিনেত্রী হওয়ার আগের পূজার দিনগুলোর কথা বলতে গিয়ে পুরোনো দিনের প্রেম, প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে ঘোরাঘুরি আর সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার স্মৃতিতে ফিরে গেলেন তিনি।
সংবাদ প্রতিদিনকে কৌশানি বলেন, “তখন দড়ির ওপারে থাকতাম। মানে লাইন দিয়ে ঠাকুর দেখতাম। আর পুজোর বিশেষ স্মৃতি বললেই, প্রেমের কথা মাথায় আসে। প্যান্ডেলে প্যান্ডেলে যখন পুজোয় সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা হতো, প্রচুর ছেলেরা এসে এসে ঝারি মারত। সেখানে হঠাৎ করে আমাকে পছন্দ করে নেওয়া আর সেখান থেকে প্রতিযোগিতায় জেতা। ‘পুজোর সেরা সুন্দরী’ তকমাটাই তখন আমার কাছে বিশাল ব্যাপার ছিল।”
সেই সময়ের আনন্দের কথা মনে করে অভিনেত্রী আরও বলেন, “মানে, ঘুরতে বেরিয়ে পুরস্কার জিতে বাড়িতে ফিরছি, এটাই তো দারুণ ব্যাপার। আমার ভাইবোনেরা আবার সেটা সেলিব্রেট করত। গর্ব করে ওরা বলত, ‘আমাদের বোন এত সুন্দরী।’”
পূজার সেই দিনগুলোর সঙ্গে প্রেমের স্মৃতিও জড়িয়ে আছে কৌশানির। পুজোর সময়ের প্রেম কেমন ছিল—এমন প্রশ্নে অভিনেত্রীর উত্তর, “হ্যাঁ, পুজোর কটা দিনের প্রেম, এই বিষয়টা দারুণ লাগত। সেই প্রেমগুলো আবার পুজোর কটা দিনই টিকত। তারপর ভেঙে যেত।”
এবারের দুর্গাপূজাও কৌশানির জন্য হতে যাচ্ছে ব্যস্ততা ও আনন্দে ভরা। দুর্গাপূজায় মুক্তি পাবে তার অভিনীত নতুন সিনেমা ‘বহুরূপী : দ্য গোল্ডেন ডাকু’। সপ্তমী পর্যন্ত সিনেমাটির প্রচারে ব্যস্ত থাকবেন তিনি। এরপর পরিবারের সঙ্গে পূজার আনন্দে মেতে উঠবেন অভিনেত্রী।
তবে শুধু পরিবার নয়, পূজার পরিকল্পনায় রয়েছেন প্রেমিক বনি সেনগুপ্তও। বনি প্রসঙ্গে কৌশানি বলেন, “আমার পুজোর সব প্ল্যানেই বনি আছে। একসঙ্গে ঠাকুর দেখা, একসঙ্গে রোম্যান্স করা, হইহই করে পার্টি করা।”
পূজার দিনগুলোতে তার দৈনন্দিন রুটিনও যে পুরোপুরি বদলে যায়, সেটিও জানালেন কৌশানি। তার ভাষায়, “দেখা যাবে, পুজোর কয়েকটা দিন বের হচ্ছি হয়তো দুপুরে, আর বাড়ি ফিরছি ভোরে! বাকি সকালটা ঘুমোচ্ছি। এই কদিন আমার দিনযাপনের সাইকেল পুরো চেঞ্জ হয়ে যায়।”



























